১. শিবির ৫ আগস্টের পর থেকে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সেবা প্রদান করেছে। আকর্ষণীয় নানান কর্মসূচি পালন করেছে।
২. শিবির কাউকে কোন ট্যাগ না দিয়ে শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এসেছে।
৩. ক্যাম্পাসের প্রথম বর্ষ ছাড়া সবাই একদিন হলেও ছাত্রলীগের মিছিল করেছে। তাই ছাত্রদল যখন অন্যদের ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়েছে তখন সবাই ছাত্রদলকে ভয় পেয়েছে। শিক্ষার্থীরা ভেবেছে, ছাত্রদল নেতৃত্ব পেলে তাদের ট্যাগ দিয়ে দমন ও নিয়ন্ত্রণ করবে।
৪. প্রতিটি হলে শিবিরের রানিং শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে সক্রিয় টিম থাকলেও ছাত্রদলের তেমন ছিলনা। হল কমিটি নিয়ে উত্তেজনাও নেতিবাচক হয়েছে ছাত্রদলের জন্য।
৫. শিবিরের প্রতিজন ভোটার ২/৩ জন করে সাধারণ ভোট নিশ্চিত করেছে।
৬. কমল মেডি এইড ছাড়া ছাত্রদল সেবামূলক তেমন প্রোগ্রাম করেনি। যেখানে শিবির প্রতি মাসেই কিছু না কিছু ছাত্রবান্ধব প্রোগ্রাম করেছে।
৭. ছাত্রী হলগুলোতে ছাত্রদলের তেমন সক্রিয় কর্মী নেই বললেই চলে। এমনকি একাধিক নারী হলে ছাত্রদল ফুল প্যানেলও দেয়নি।
৮. বিএনপির জাতীয় নেতাদের অগোছালো বক্তব্যে ছাত্রদের মধ্যেও ক্ষোভ রয়েছে
৯. ছাত্রদলের অছাত্র নেতৃত্ব যা ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করতে ব্যার্থ হয়েছে। অনেকেই ভেবেছিল ৫ আগস্টের পর ছাত্রদল নতুনভাবে সাজবে কিন্তু তা হয়নি।
১০. প্যানেল দিতে সময় ক্ষেপণ। অন্যান্য প্যানেলের সাথে সমঝোতা করতে না পারাটাও ছাত্রদলের জন্য ক্ষতির কারণ হয়েছে। একাধিক প্যানেল হওয়ায় এটার সুবিধা পেয়েছে শিবির। যেসব ভোট শিবির পেতনা সেসব ভোট ভাগ হয়ে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
লিখেছেন সাংবাদিক আরিফুজ্জামান
