ঢাকামঙ্গলবার , ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শতভাগ আশাবাদী, প্রকৃতিই ছাত্রদলকে চায়: আবিদুল

প্রথম আলো থেকে নেয়া
সেপ্টেম্বর ২, ২০২৫ ৩:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

প্রথম আলো: ডাকসু নির্বাচনের প্রচারে আপনাদের সবচেয়ে বেশি তৎপর দেখা যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সাড়া পাচ্ছেন কেমন?
আবিদুল ইসলাম খান: অনেকগুলো হলে আমি ‘ডোর টু ডোর’ (দরজায় দরজায়) গিয়েছি। সাধারণ শিক্ষার্থীরা আমাদের পেয়ে খুব উৎসাহিত হয়েছেন। যেসব হলে এখন পর্যন্ত গিয়েছি, আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি সেসব হলে ছাত্রদল এগিয়ে আছে। আমি অনেক বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে এ বিষয়গুলো অনুমানও করতে পারি। উৎসাহিত না হলে বা অনুপ্রেরণা না পেলে শিক্ষার্থীদের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার সুযোগ আমাদের হতো না। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত আমাদের অবস্থান যথেষ্ট ভালো।

প্রথম আলো: ভোট আকৃষ্ট করতে নিয়মিত প্রচারের বাইরে আপনাদের অন্য কোনো কৌশল কি আছে?
আবিদুল ইসলাম খান: সশরীর প্রচারের পাশাপাশি অনলাইনে আমাদের প্রচার চলছে। আমরা এখন শিক্ষার্থীদের কাছে যাওয়ার বিষয়টিতে প্রাধান্য দিচ্ছি। গণমাধ্যমে কথা বলা বা জাঁকজমকপূর্ণ প্রচারের চেয়ে পারসন-টু-পারসন (ব্যক্তির সঙ্গে) যোগাযোগে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। এতে বেশ ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি।

প্রথম আলো: নির্বাচিত হলে গণরুম ও গেস্টরুমের (হলের অতিথিকক্ষে আদবকায়দা শেখানোর নামে নির্যাতন) মূলোৎপাটন করবেন—এমন কথা আপনি বলছেন। আপনাকে এ কথা বারবার কেন বলতে হচ্ছে?
আবিদুল ইসলাম খান: গণরুম-গেস্টরুমের সংস্কৃতির কথা আমি বারবার বলছি, কারণ এই সংস্কৃতির নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার আমি নিজেই। গণরুম-গেস্টরুমের কারণে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে বের হয়ে যেতে হয়েছে। ফলে এর নেতিবাচক প্রভাব একজন শিক্ষার্থীর ওপর কতটা পড়ে, আমি নিজে তা জানি। এ ছাড়া ছাত্রশিবিরসহ কিছু সংগঠন সাধারণ শিক্ষার্থীদের ছাত্রদল নিয়ে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছে। এ কথাগুলো বারবার বলার সেটাও আরেকটা কারণ।

প্রথম আলো: কেউ কেউ ইঙ্গিত করে বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ছাত্রদলের প্রতি পক্ষপাত করছে। এ বিষয়ে আপনাদের বক্তব্য কী?
আবিদুল ইসলাম খান: শুধু মুখে নয়, অনলাইন-অফলাইন সব জায়গায় অপপ্রচারের চেষ্টা চলছে। এ ধরনের কোনো অভিযোগের ভিত্তি নেই। উল্টো আমরা দেখেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য নিয়োগ পাওয়ার পর শিবিরের সভাপতিসহ অনেকে তাঁকে প্রটোকল দিয়েছে। সেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের প্রতি পক্ষপাত করছে, এ ধরনের কথা পুরোপুরি অবান্তর।

প্রথম আলো: মনে করা হচ্ছে, এবারের ভোটে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে ছাত্রী ও জগন্নাথ হলের ভোট। এই ভোটব্যাংক আকৃষ্ট করতে আপনাদের বিশেষ কোনো কৌশল আছে কি?
আবিদুল ইসলাম খান: আমি এখন পর্যন্ত অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, জগন্নাথ হল ও ছাত্রীদের হলে আমাদের পক্ষে একচেটিয়া সমর্থন আছে। এই সমর্থনের ভিত্তি আমাদের দীর্ঘ সংগ্রাম, সততা, নিষ্ঠা এবং দুঃশাসনকে মোকাবিলা করার মানসিকতা। জগন্নাথ হল ও ছাত্রীদের হলের ভোটের সমীকরণ নিঃসন্দেহে নির্বাচনের ফলাফল ঘোরানোর জন্য ভূমিকা রাখবে। ছাত্রীদের হলগুলোতে আমাদের প্রতিনিধিরা যাচ্ছেন। সাধারণ ছাত্রীরা তাঁদের খুব আগ্রহের সঙ্গে গ্রহণ করছেন। ছাত্রী হলে আমাদের পরিচিতি সভার আয়োজন চলছে। এ ছাড়া জগন্নাথ হলের প্রতিটি কক্ষে শিক্ষার্থীদের দ্বারে দ্বারে গিয়েছি। সেখানেও অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি।

প্রথম আলো: নিজের ও আপনাদের প্যানেলের জয়ের ব্যাপারে আপনি কতটা আশাবাদী?
আবিদুল ইসলাম খান: আমি শতভাগ আশাবাদী। সব ক্রাইটেরিয়ায় (মানদণ্ড) প্রকৃতিই ছাত্রদলকে চায়। যদি প্রকৃতির বিরুদ্ধে কোনো ফলাফল আসে, সেটা রাষ্ট্রের জন্য হুমকিস্বরূপ হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।